রাজশাহী বিভাগীয় শিশুশ্রম কল্যাণ পরিষদের ২১তম সভা আজ বুধবার বেলা ১১টায় বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা এবং পরিষদের সদস্যরা অংশ নেন।
সভায় জানানো হয়, চলতি অর্থবছরে রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ৩৪০ জন শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম থেকে নিরসনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহীতে ১০০, বগুড়ায় ৮০, পাবনায় ৭০, সিরাজগঞ্জে ৬০ এবং নওগাঁয় ৩০ জন শিশু রয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার দাপ্তরিক কাজে শুধু চিঠিপত্র আদান-প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে ‘স্মার্ট’ (স্পেসিফিক, মেজারেবল, অ্যাচিভেবল, রিজনেবল ও টাইম-বাউন্ড) পদ্ধতিতে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের তাগিদ দেন। তিনি মাঠপর্যায়ে বাস্তবসম্মত ও গতিশীল উদ্যোগের মাধ্যমে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় শিশুশ্রমে নিয়োজিত শিশুদের টেকসই পুনর্বাসনে সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পপতি ও রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতায় সিএসআর (করপোরেট সোশাল রেসপন্সিবিলিটি) ফান্ড কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একইসঙ্গে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতাধীন সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র ও সরকারি শিশু পরিবারে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও আবাসনের সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোর বালক ও বালিকা শাখায় খালি আসনে যোগ্য শিশুদের অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া জোরদার এবং মাঠপর্যায়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও তালিকা নিশ্চিত করে শিশুশ্রম নিরসন ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়।
সভায় জানানো হয়, চলতি অর্থবছরে রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ৩৪০ জন শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম থেকে নিরসনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহীতে ১০০, বগুড়ায় ৮০, পাবনায় ৭০, সিরাজগঞ্জে ৬০ এবং নওগাঁয় ৩০ জন শিশু রয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার দাপ্তরিক কাজে শুধু চিঠিপত্র আদান-প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে ‘স্মার্ট’ (স্পেসিফিক, মেজারেবল, অ্যাচিভেবল, রিজনেবল ও টাইম-বাউন্ড) পদ্ধতিতে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের তাগিদ দেন। তিনি মাঠপর্যায়ে বাস্তবসম্মত ও গতিশীল উদ্যোগের মাধ্যমে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় শিশুশ্রমে নিয়োজিত শিশুদের টেকসই পুনর্বাসনে সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পপতি ও রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতায় সিএসআর (করপোরেট সোশাল রেসপন্সিবিলিটি) ফান্ড কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একইসঙ্গে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতাধীন সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র ও সরকারি শিশু পরিবারে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও আবাসনের সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোর বালক ও বালিকা শাখায় খালি আসনে যোগ্য শিশুদের অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া জোরদার এবং মাঠপর্যায়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও তালিকা নিশ্চিত করে শিশুশ্রম নিরসন ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :